July 24, 2024, 6:37 pm
শিরোনাম
পবিপ্রবির বয়কটকৃত ছাত্রলীগ নেতার ক্ষমাপ্রার্থনা হাবিয়া দোজখে পরিণত হয়েছে কুমিল্লা’র শিক্ষার্থী ও পুলিশের মধ্যকার সংঘর্ষ ছাত্রলীগকে জাবি ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ ঘোষনা করার দাবি শিক্ষকদের কুবি ক্যাম্পাসে গভীর রাতে কুমিল্লা মহানগর ছাত্রলীগের হামলার আশংকা আহত শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার ঘোষণা কুবির নৃবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যানের যশোরে অবরোধ, বেনাপোলের সাথে সারাদেশের যোগাযোগ বন্ধ কুমিল্লায় পুলিশের গুলিতে আহত ২ স্কুল শিক্ষার্থী জাবিতে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার ঘটনায় শিক্ষকদের তোপের মুখে উপাচার্য ছাত্রলীগের দেয়া তালা ভেঙে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর আন্দোলনকারীদের দখলে রাবি, ক্যাম্পাস ছাড়া ছাত্রলীগ

জাবির মীর মশাররফ হলে ইন্টারনেটের কচ্ছপগতি

জাবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : Tuesday, June 11, 2024,
  • 68 বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মীর মশাররফ হোসেন হলে ইন্টারনেটের ধীরগতির কারণে বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। একাডেমিক প্রয়োজনের পাশাপাশি দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় ইন্টারনেট সেবা না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ‘মাস্টারনেট’ নামে একটি স্থানীয় প্রতিষ্ঠান মীর মশাররফ হোসেন হলে দীর্ঘদিন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে আসছে। হলের কক্ষপ্রতি ৫ এমবিপিএস ৫০০ টাকা ও ১০ এমবিপিএস ৮০০ টাকার বিনিময়ে ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে থাকে তারা। তবে, তাদের ইন্টারনেট সেবার মান খুবই নিম্নমানের বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এছাড়া গত ঈদুল ফিতরের পর থেকে সে সেবাও দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। পাশাপাশি হলের তৃতীয় তলার কমনরুম ও দুইটি ব্লকের জন্য বিশ^বিদ্যালয়ের ইন্টারনেট লাইনের সেবাও বন্ধ রয়েছে। দীর্ঘদিন ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকায় উচ্চ মূল্যে মোবাইল ইন্টারনেট কিনে ব্যবহার করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

তবে হল সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হলে যেসব কোম্পানি ইন্টারনেট সেবা দেয় তাদেরকে বাধ্যতামূলকভাবে পলিটিকাল ব্লকের কিছু কক্ষে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সরবরাহ করতে হয়। সে জায়গায় ছাত্রদের সাথে ইন্টারনেট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের বনিবনা না হওয়ায় এ অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তবে বর্তমানে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ঈদুল আযহার পর (জুন মাস) আর ইন্টারনেট সরবরাহ করবে না। এখন নতুন করে ‘ইন্টারনেট প্রোভাইডার’ খোঁজা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা।

হলের আবাসিক শিক্ষার্থী আবির হাসান বলেন, ৫০০ টাকায় যেখানে বাসায় ৫-৬ টি ডিভাইসে ইন্টারনেট ইউজ করা যায়, সেখানে আমরা হলে দুইটা ডিভাইস ব্যবহার করতে পারছিনা। ইন্টারনেট অপারেটরদের কাছে ফোন দিলে তারা বলে এখন ইন্টারনেটের চাপ আছে। নেটের এইরকম ধীরগতির জন্য আমরা অনলাইনে কোন ক্লাস বা প্রয়োজনীয় কাজ করতে পারি না। এতোবার বলার পরেও ইন্টারনেটে সমস্যা ঠিক করে না। এরা এতো সাহস পায় কিভাবে?

রসায়ন ৪৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী সৌরভ মাজহার বলেন, গত ঈদের পর থেকে হলে ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ নিয়ে আমাদের কাছে এসেছে, আমরাও হল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি। একাডেমিক কাজে অনেকেরই অনলাইন ক্লাস ও নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজ থাকে। সেসব কাজে ব্যাঘাত ঘটছে। হল কর্তৃপক্ষ আশা করি এ সমস্যার দ্রুত সমাধান করবে।

এ সমস্যা শুধু শিক্ষার্থীরই পড়েছেন বিষয়টি এমন নয়। বি ব্লকের ক্যান্টিনের কর্মচারী হৃদয় হোসাইন বলেন, হলের ভিতরে তো মোবাইল কানেকশন পাওয়া যায় না। ওয়াইফাই দিয়ে বাড়িতে কথা বলি। এখন এটাও না থাকায় খুব বিপদে আছি। মোবাইল নেটের দামও এখন অনেক বেশি। সবসময় এত টাকা খরচ করে মোবাইল ইন্টারনেট কিনতেও পারি না।

ইন্টারনেটের ধীরগতির বিষয়ে মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাব্বির আলম বলেন, হলের ছেলেরা ওয়াইফাইয়ের ক্যাবল কেটে অবৈধ সংযোগ নেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু ওয়াইফাই কানেকশন তো সাধারণ ক্যাবল তারের মতো সংযোগ না। কিছুদিন আগেই সাড়ে ৩ হাজার টাকা খরচ করে হলের ওয়াইফাই এর জন্য নতুন ক্যাবল যুক্ত করেছি। কমনরুমসহ নিচতলায় ওয়াইফাই কানেকশন ঠিক করা হয়েছে। তারপরও সমস্যা হলে আমরা সেটা সমাধান করার চেষ্টা করবো।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশকঃ ট্রাস্ট মিডিয়া হাউস © 2020-2023