May 20, 2024, 7:17 pm
শিরোনাম
মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে দেশটা: বিএনপি মহাসচিব ‘চ্যারিটি ফান্ড কেইউ’ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু পবিপ্রবিতে বিশ্বকবির ১৬৩ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন একজন আইনজীবীর প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করা : অ্যাটর্নি জেনারেল জাবিতে ছাত্রলীগ সম্পাদকের বান্ধবীকে নিয়োগ দিতে তোড়জোড় যুক্তিতর্ক দেখে সবাই ভাবতো ভালো প্রতিষ্ঠান থেকে এসেছি : শাহ মনজুরুল হক ইবিতে মুজিব মুর‍্যালে এ্যাটর্নি জেনারেলের শ্রদ্ধা নিবেদন  বাংলাদেশ পুলিশ পেশাদারিত্বের সাথে জনগণের নিরাপত্তা দিয়ে আসছে : আইজিপি ইবি অধ্যাপক ড. ইকবাল হোসাইনের আত্মার মাগফিরাতে দোয়া মাহফিল কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসংসদের সভাপতি হলেন জাবির সাবেক শিক্ষার্থী 

ইবি শিক্ষার্থীদের ছাত্রত্ব নিয়ে টানাটানি

ইবি প্রতিনিধি :
  • প্রকাশের সময় : Saturday, March 2, 2024,
  • 2 বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে ফি সমন্বয়ের ইস্যুতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২ মার্চ) বেলা ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনের সামনে এ মানববন্ধন করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধন শেষে দায়িত্বরত উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড.আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া বরাবর তিন দফা দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেন তারা।

এসময় তিনি জানান, “তোমাদের বিষয়টি শুধু আর্থিক নয়, এখন তোমাদের ছাত্রত্ব নিয়েও টানাটানি হতে পারে এবং বিষয়টি অনেক দূর গড়াতে পারে।” এসময় তিনি একাডেমিক শাখার সাথে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেন।

মানববন্ধনে ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকে বিভিন্ন ফি নিয়মিত প্রদান করে আসছেন কিন্তু স্নাতক উত্তীর্ণ হওয়ার পর সার্টিফিকেট উত্তোলন করতে গেলে ভোগান্তির শিকার হতে হয়। শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন সেমিস্টারে ফি বকেয়া রেখে পরবর্তী সেমিস্টারে যাওয়ার কোন নিয়ম না থাকলে আমাদের প্রতি সেমিস্টারে রেজাল্ট কীভাবে হয়েছে? এভাবে একজন শিক্ষার্থীর ছাত্রত্বও থাকেনা। ”

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিক্ষার্থীরা তাদের নির্ধারিত ফি অগ্রণী ব্যাংক ইবি শাখায় সশরীরে জমা দিয়ে থাকেন। পরবর্তীতে ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার রসিদ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ একাডেমিক শাখার কর্মকর্তাদের দিয়ে থাকেন। তবে সেই টাকার হিসাব একাডেমিক শাখায় নথিভুক্ত করা হয়নি । ফলে শিক্ষার্থীদের সেসব ফি বকেয়া দেখা যায়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করে থাকলেও তাদের রসিদ দেখাতে বলা হয়। শিক্ষার্থীদের রশিদ দেখিয়ে প্রমাণ করতে হয় তারা ফি জমা দিয়েছে। প্রমাণ দেখাতে পারলে তাদের টাকা একাডেমিক শাখার একটি খাতায় লেখা হয়। কারো রসিদ হারিয়ে গেলে সেই টাকা আবার ব্যাংকে জমা দিতে হয়। এমনকি অনেক শিক্ষার্থীকে তিন থেকে চারবার একই টাকা জমা দিতে হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এসব ফি সংরক্ষণ করা একাডেমিক শাখার দায়িত্ব হলেও তাদের গাফেলতিতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

তাদের দাবি গুলো হলো- সমন্বয়ের ঘোষণা দেওয়া ফি সমূহ অবশ্যই সমন্বয় করতে হবে। ইতোমধ্যে যারা অতিরিক্ত ফি জমা দিয়েছে তাদের টাকা মাস্টার্সে সমন্বয় করতে হবে। বিভিন্ন ফি দেওয়ার পরেও একাডেমিক শাখার খাতায় না তোলার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।

এদিকে একি দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ। পরে দলীয় টেন্ট থেকে বিক্ষোভ নিয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রশাসন ভবনের সামনে সমাবেশে মিলিত হয়।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশকঃ ট্রাস্ট মিডিয়া হাউস © 2020-2023