May 22, 2024, 5:35 pm
শিরোনাম
বেরোবি ফিল্ম এন্ড আর্ট সোসাইটির নেতৃত্বে সোয়েব ও অর্ণব ইবি রোভার স্কাউটের বার্ষিক তাবুঁবাস ও দীক্ষা অনুষ্ঠান শুরু সেভেন স্টার বাস কাউন্টারের কর্মীদের হামলার শিকার পবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা, আহত ৫ শিক্ষার্থীদের জন্য সাংবাদিকতায় বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের আয়োজন করলো নোবিপ্রবিসাস ইবি ছাত্রলীগ সহ-সম্পাদকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জাবিতে কুরআনের অনুবাদ পাঠ প্রতিযোগিতার পুরুষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে দেশটা: বিএনপি মহাসচিব ‘চ্যারিটি ফান্ড কেইউ’ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু পবিপ্রবিতে বিশ্বকবির ১৬৩ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন একজন আইনজীবীর প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করা : অ্যাটর্নি জেনারেল

সীমান্তে হত্যা বন্ধে প্রতীকি “লাশের মিছিল”

জাতীয় ডেক্স
  • প্রকাশের সময় : Monday, February 19, 2024,
  • 3 বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সীমান্তে হত্যা ও আগ্রাসন বন্ধের দাবিতে হানিফ বাংলাদেশির নেতৃত্বে ওরা পাঁচজন লাশ কাঁধে নিয়ে প্রতীকী ‘লাশের মিছিল’ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা অতিক্রম করেছে।

সোমবার সকালে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্তবর্তী আখাউড়া উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে তারা প্রতীকী লাশের মিছিল শুরু করেন। পরে মিছিলটি পৌর শহরের সড়কবাজার ও রেলওয়ে জংশন স্টেশন প্রদক্ষিণ শেষে শহরের মুক্তমঞ্চে সংক্ষিপ্ত মানববন্ধন করেন।

শুক্রবার কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার অলিয়াবাদ জিরো পয়েন্ট থেকে তারা এ কর্মসূচি শুরু করেন।

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত আছে- এমন সীমান্তবর্তী ৩২টি জেলার ৭২টি উপজেলায় প্রতীকী লাশ কাঁধে নিয়ে মিছিল কর্মসূচি পালন করবেন হানিফ বাংলাদেশির নেতৃত্বে ওরা পাঁচ যুবক।

কর্মসূচি শুরুর দিনে তারা কক্সবাজারের মিয়ানমার সীমান্তবর্তী টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলায় মিছিল করেন। পরে দলটি চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা ঘুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় আসেন।

তারা জানান, কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রত্যেকে প্রতীকী লাশ কাঁধে নিয়ে মিছিলের পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার মানুষকে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে অবহিত করবেন।

হানিফ বাংলাদেশি বলেন, ভারত ও মিয়ানমার বাংলাদেশের প্রতিবেশী দুটি দেশ। দুই দেশের সীমান্তেই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের মধ্যেই এক বাংলাদেশিসহ দুজন সম্প্রতি মারা গেছেন। এসব হত্যাকাণ্ড বন্ধের দাবিতেই তাদের কর্মসূচি পালন করছেন। কর্মসূচিটি যশোরের বেনাপোল উপজেলায় গিয়ে শেষ হওয়ার কথাও জানান নেতৃত্বে থাকা হানিফ বাংলাদেশি।

তিনি বলেন, সীমান্ত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতীকী লাশ কাঁধে নিয়ে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামে পদযাত্রা করেছি। আমরা চাই প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট রাখতে। কিন্তু সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যার পর বারবার নিহত ব্যক্তিদের গরু চোরাকারবারি বলে দায় এড়ানোর চেষ্টা ঠিক নয়। চোরাকারবারি হলেও গুলি করে হত্যা করতে হবে কেন?

তিনি আরও বলেন, কিছুদিন আগে একজন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যকে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) গুলি করে হত্যা করেছে। আরেক প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার তাদের ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে অত্যাচার করে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে।

হানিফ বাংলাদেশি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ সব সময় প্রতিবেশী ও বন্ধু দেশগুলোর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে চায়। কিন্তু প্রতিবেশী দেশ দুটি ভারত ও মিয়ানমার বাংলাদেশের সঙ্গে বরাবরের মতোই বৈরী আচরণ করে।

মো. হানিফ ওরফে হানিফ বাংলাদেশি নোয়াখালীর সুধারাম উপজেলার নিয়াজপুর ইউনিয়নের জাহানাবাদ গ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে। তার সঙ্গে থাকা অপর চারজন হলেন- ঝালকাঠি জেলার রাজাপুরের মোহাম্মদ সৌরভ, চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর নুরুল আজিম, রংপুরের পীরগাছার আবু নাসিম ও নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের মো. আরিফ।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশকঃ ট্রাস্ট মিডিয়া হাউস © 2020-2023