May 21, 2024, 12:24 pm
শিরোনাম
জাবিতে কুরআনের অনুবাদ পাঠ প্রতিযোগিতার পুরুষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে দেশটা: বিএনপি মহাসচিব ‘চ্যারিটি ফান্ড কেইউ’ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু পবিপ্রবিতে বিশ্বকবির ১৬৩ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন একজন আইনজীবীর প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করা : অ্যাটর্নি জেনারেল জাবিতে ছাত্রলীগ সম্পাদকের বান্ধবীকে নিয়োগ দিতে তোড়জোড় যুক্তিতর্ক দেখে সবাই ভাবতো ভালো প্রতিষ্ঠান থেকে এসেছি : শাহ মনজুরুল হক ইবিতে মুজিব মুর‍্যালে এ্যাটর্নি জেনারেলের শ্রদ্ধা নিবেদন  বাংলাদেশ পুলিশ পেশাদারিত্বের সাথে জনগণের নিরাপত্তা দিয়ে আসছে : আইজিপি ইবি অধ্যাপক ড. ইকবাল হোসাইনের আত্মার মাগফিরাতে দোয়া মাহফিল

যোগ্যতা নেই তবুও নিয়োগ এখন অধ্যাপক

পবিপ্রবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : Monday, October 2, 2023,
  • 3 বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধেঅবৈধ নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়,প্রভাষক হিসেবে আবেদন করার যথাযথ শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিলো না, তবুও ক্ষমতার জোরে নিয়োগ দেওয়া হয় পরে তিনি বিভিন্ন তদবিরের মাধ্যমে হয়ে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।

সম্প্রতি এক অনুসন্ধানে পবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির হাতে অধ্যাপক মোঃ মেহেদী হাসানের পুরনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও তার বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ হাতে আসার পর বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০১০ সালে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক (নন টেকনিক্যাল) পদে নিয়োগ দেওয়া হয় মোঃ মেহেদী হাসান কে । বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন রেজিস্ট্রার ড. নির্মল চন্দ্র সাহা স্বাক্ষরিত সেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় আবেদন প্রার্থীর শিক্ষা জীবনের সব স্তরে প্রথম বিভাগ/শ্রেণি থাকতে হবে। পাশাপাশি প্রার্থির জিপিএ/সিজিপিএ ৪ এর মধ্যে কমপক্ষে ৩ দশমিক ৭৫ থাকতে হবে। তবে মোঃ মেহেদী হাসানের সিজিপিএ ২ দশমিক ৯৫ হওয়া সত্ত্বেও তিনি সেসময় প্রভাষক পদে আবেদন করেছেন এবং নিয়োগও পেয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে তৎকালীন প্রভাবশালী স্থানীয় এক নেতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ডেপুটি রেজিস্ট্রার প্রভাব খাটিয়ে তাকে নিয়োগ দেন। প্রসঙ্গত, অধ্যাপক মোঃ মেহেদী হাসান ২০০৪ সালে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজীতে স্নাতক সম্পন্ন করেন।

নিয়োগ বিতর্ক ছাড়াও বর্তমানে অধ্যাপক মোঃ মেহেদী হাসান ক্যাম্পাসে বিভিন্নভাবে বিতর্কিত। তার প্রমোশন প্রক্রিয়া নিয়েও অভিযোগ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মানহানি এবং উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে পোস্টার ছাপানোর কারণে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

নিয়োগে অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক মোঃ মেহেদী হাসান বলেন, ‘স্নাতকে প্রথম শ্রেণীর শর্ত শিথিল করা যেতে পারে এমন শর্ত ছিল তাই নিয়োগ পেয়েছি।’
কিন্তু তার স্নাতকের ফলাফল গ্রেডিং পদ্ধতিতে হওয়ায় কিভাবে শর্তের আওতায় পড়লেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি আবেদন করেছি, কতৃপক্ষ ভাইভা কার্ড দিয়েছে, ভাইভা বোর্ডে উত্তীর্ণ হয়েছি। যারা আমাকে নিয়োগ দিয়েছে এ বিষয়ে আপনি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেন।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. সন্তোষ কুমার বসু বলেন, ‘তার কর্মকান্ডে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে। আমি দেখেছি তার(মেহেদী হাসান) রেজাল্টের সাথে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত রেজাল্টের তারতম্য রয়েছে। তৎকালীন প্রশাসন কি মনে করে তাকে নিয়োগ দিয়েছেন তা তারাই বলতে পারবেন।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সচিব ড. ফেরদৌস জামান বলেন, “বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত যোগ্যতার সাথে প্রার্থীর যোগ্যতার মিল না থাকলে নিঃসন্দেহে তা অনিয়ম এবং আইনের ব্যত্যয় ঘটেছে। এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশকঃ ট্রাস্ট মিডিয়া হাউস © 2020-2023