June 13, 2024, 2:14 pm

ডাক্তার, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা সদস্যদের বাকবিতণ্ডাঃ ভাইরাল ভিডিও

ট্রাস্ট ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : Sunday, April 18, 2021,
  • 28 বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

পরিচয় জানতে চাওয়ায় ডাক্তার, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা সদস্যদের মধ্যে তুমুল বাকবিতন্ডা হয়।

আজ রবিবার(১৮ এপ্রিল) মধ্য দুপুরে রাজধানীর এলিফেন্ট রোডে একটি গাড়ির মুভমেন্ট পাস দেখতে চাওয়া নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ডাক্তার দাবিকারী এক মহিলার সাথে এমন ঘটনা ঘটে।

মুঠোফোনে ভিডিও করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে শেয়ারের কিছুক্ষণের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়।

ভিডিওতে দেখা যায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনির সদস্যবৃন্দ গাড়িটির মুভমেন্ট পাস দেখতে চাইলে তখন গাড়িতে থাকা মহিলা নিজেকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাক্তার এবং প্রফেসর দাবী করেন, একই সাথে তার গাড়িতে থাকা বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকার দেখান। কিন্তু দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের কাছে আইডি কার্ড দেখতে চাওয়ার সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকায় তারা সেটি দেখতে চাইলেই বাকবিতণ্ডা তীব্র থেকে তীব্রতর হতে থাকে। এক পর্যায়ে নিজেকে ডাক্তার দাবী করা সেই মহিলা তুই তোকারী থেকে শুরু করে ধমকের সুরে কথা বলা শুরু করেন। এবং বারংবার বলতে থাকেন “ডাক্তার হয়রানি বন্ধ করতে হবে”।

এক পর্যায়ে সেই ডাক্তার নিজের পারিবারিক বংশ পরিচয় দিয়ে বলা শুরু করেন যে, “তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান” এর প্রতিউত্তরে কর্তব্যরত আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্মকর্তাও নিজেকে “মুক্তিযোদ্ধার সন্তান” বলে পরিচয় দেন। বাকবিতণ্ডা চরমে পৌছালে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “সাংবাদিক ভাই শুনেন, ডাক্তারদের সাথে কি করতেসে এই হারামজাদা” ইতোমধ্যে সেই ডাক্তার কাউকে ফোন দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্য করে “জনস্বাস্থ্য মন্ত্রী”-র সাথে কথা বলতে বলেন, এবং একইসাতে এও বলেন যে, “মেডিকেলে চান্স পান নাই বলেই আপনি পুলিশ, আর আমি মেডিকেলে চান্স পেয়েছি বলে আমি ডাক্তার”।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ এই পুরো সময় তার গাড়িটি ওই স্থানেই আটকে রাখেন, এবং দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তাকে বারংবার “আপনি আমাকে তুই তোকারি করে বলতে পারেন না” বলতে শোনা যায়। পরিশেষে সেখানে উপস্থিত মেজিস্ট্রেট কে উদ্দেশ্য করে কারো সাথে ফোনে কথা বলার কথা বললে মেজিস্ট্রেট ফোনে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। এবং বলেন, “আপনি আপনার স্যারকে, আমাদের থেকে উর্ধ্বতন লেভেলে কথা বলতে বলেন”।

ঢাকা/ আশিক

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশকঃ ট্রাস্ট মিডিয়া হাউস © 2020-2023