May 22, 2024, 5:09 pm
শিরোনাম
বেরোবি ফিল্ম এন্ড আর্ট সোসাইটির নেতৃত্বে সোয়েব ও অর্ণব ইবি রোভার স্কাউটের বার্ষিক তাবুঁবাস ও দীক্ষা অনুষ্ঠান শুরু সেভেন স্টার বাস কাউন্টারের কর্মীদের হামলার শিকার পবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা, আহত ৫ শিক্ষার্থীদের জন্য সাংবাদিকতায় বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের আয়োজন করলো নোবিপ্রবিসাস ইবি ছাত্রলীগ সহ-সম্পাদকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জাবিতে কুরআনের অনুবাদ পাঠ প্রতিযোগিতার পুরুষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে দেশটা: বিএনপি মহাসচিব ‘চ্যারিটি ফান্ড কেইউ’ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু পবিপ্রবিতে বিশ্বকবির ১৬৩ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন একজন আইনজীবীর প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করা : অ্যাটর্নি জেনারেল

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বারংবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা! অসচেতন প্রশাসন,

মোহাম্মদ উল্লহ,ববি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : Wednesday, April 5, 2023,
  • 1 বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) ফের অগ্নিকাণ্ডের মাধ্যমে আবর্জনা পোড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার ( ৫ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে বারোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হলের সামনে আবর্জনার স্তুপে এই আগুন দেয়া হয়। তবে এতে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। প্রসাশনের দাবি সাপ অপসারণে আগুন দেওয়া হয়েছে৷

সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হলের সামনে পরিষ্কার করে রাখা ঘাস, ময়লার স্তুপে আগুন দেওয়া হয়েছে। এতে আবর্জনা স্তুপের আশেপাশের অনেকটা অংশজজুড়ে কাচা ঘাস একটি গাছ পুড়ে যায়। আগুন ক্রমশ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকলে হলের দু’জন কর্মচারী একজন পানির পাইপ দিয়ে পানি দেওয়ার চেষ্টা করছিন, আরেকজন চটের বস্তা দিয়ে আগুনের গতি রোধের চেষ্টা করছিলেন।

বঙ্গবন্ধু হলের একাধিক শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, “দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে রুমগুলোতে ধোয়ার সৃষ্টি হয় পরে জানতে পারি হলের সামনে আগুন দেওয়া হয়েছে।”
উক্ত হলের ৪০০২ নাম্বার রুমের আবাসিক শিক্ষার্থী রুস্তম আলি বলেন, আমি ঘুমিয়ে ছিলাম ঘুম থেকে উঠে দেখি রুমে প্রচুর ধোঁয়া।

আগ্নিকাণ্ডের সম্পর্কে জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু হলের সেকশন অফিসার হুমায়ুন কবির বলেন, “অগ্নিকাণ্ড ঘটানো হয়েছে আবর্জনা পরিষ্কার ও ঐ আবর্জনা স্তুপের মধ্য সাপের আস্তানা রোধের জন্য। সামনে বর্ষাকাল সাপের উপদ্রব যেন বাড়তে না পারে সেজন্যই প্রধ্যাক্ষের অনুমতি নিয়েই আমাদের দুইজন কর্মচারীর তত্ত্বাবধানেই আগুন দেওয়া হয়েছে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের এ্যাকাউন্টিং বিভাগের ২০১৬- ১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শামীম আহসান বলেন,”আগুন লাগিয়ে পরিচ্ছন্ন কাজ করা প্রকৃতির সাথে পশুত্ব ছাড়া কিছু নয়। আমরা বারবারই দেখেছি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এভাবে বিভিন্ন সময় আগুন লাগিয়ে ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্ন করে আসছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। পাশাপাশি বন ও পরিবেশের ক্ষতি করে কেন বারংবার এমন কাজ করা হচ্ছে আমরা তার সমীচীন কারণ জানতে চাই।”

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক আরিফ হোসেন বলেন, “আগ্নিকাণ্ড ঘটানো হয়েছে ধোঁয়া আর তাপ দিয়ে আবর্জনা স্তুপের সাপ অপসারণের জন্য, শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যানের জন্যই ঘটনাটি ঘটনো হয়েছে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায়ই কারনে অকারণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পরিবেশের উপরে এর প্রভাব সম্পর্কে জানতে চাইলে, বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈববিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সুব্রত কুমার দাস বলেন, আগুন দিয়ে আবর্জনা পোড়ালে এতে কার্বনডাইঅক্সাইড গ্যাস নির্গত হয়ে পরিবেশ দূষণ করে। কোনভাবেই আবর্জনা পুড়িয়ে বিনাশ না করে কম্পোস্ট প্রক্রিয়া করাই উত্তম৷ এইসমস্ত বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্টদের আরো সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত ৷”

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১৩ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর পাশে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে৷ ঐ অগ্নিকান্ডে লাইব্রেরী ভবনের পাশে বৃহৎ অংশজুড়ে গাছপালা পুড়ে যায়৷

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশকঃ ট্রাস্ট মিডিয়া হাউস © 2020-2023