May 22, 2024, 4:47 pm
শিরোনাম
বেরোবি ফিল্ম এন্ড আর্ট সোসাইটির নেতৃত্বে সোয়েব ও অর্ণব ইবি রোভার স্কাউটের বার্ষিক তাবুঁবাস ও দীক্ষা অনুষ্ঠান শুরু সেভেন স্টার বাস কাউন্টারের কর্মীদের হামলার শিকার পবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা, আহত ৫ শিক্ষার্থীদের জন্য সাংবাদিকতায় বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের আয়োজন করলো নোবিপ্রবিসাস ইবি ছাত্রলীগ সহ-সম্পাদকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জাবিতে কুরআনের অনুবাদ পাঠ প্রতিযোগিতার পুরুষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে দেশটা: বিএনপি মহাসচিব ‘চ্যারিটি ফান্ড কেইউ’ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু পবিপ্রবিতে বিশ্বকবির ১৬৩ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন একজন আইনজীবীর প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করা : অ্যাটর্নি জেনারেল

একীভূত বাজার নির্ভরশীলতা রোধ করবে ই-আরএমজি

আমিনুল ইসলাম আশিক
  • প্রকাশের সময় : Saturday, April 17, 2021,
  • 93 বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের তৈরী পোশাক শিল্পের ক্রমবর্ধমান উন্নয়নের ইতিহাস পর্যালোচনা করলেই আমরা বুঝতে পারবো যে দেশের অর্থনীতিতে এর অবদান ঠিক কতটা। দেশের তৈরি পোশাকের (কেবলমাত্র ওভেন শার্ট) প্রথম চালানটি রপ্তানি হয় ১৯৭৮ সালে। এরপরেই বিদেশি ক্রেতাদের আগ্রহ বেড়ে যায় এবং এই শিল্প দ্রুত বেড়ে ওঠে। ১৯৮১-৮২ সালে মোট রপ্তানি আয়ে এই খাতের অবদান ছিল মাত্র ১.১%। ২০১০ সালের মার্চ মাসে তৈরি পোশাক শিল্পের অবদান দাঁড়িয়েছে মোট রপ্তানি আয়ের ৭৬%। ২০১৬ নাগাদ বাংলাদেশে রপ্তানীমুখী পোশাক শিল্পের সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার। প্রতি বছর যেমন শত শত নতুন কারখানা স্থাপিত হয় তেমনি শত শত কারখানা প্রতিযোগতিায় টিকতে না পেরে বন্ধ হয়ে যায়। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৮৩ ভাগ আর ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৮৪ ভাগই যোগান দিয়েছে এই খাত৷ ২০২০ সালে এসে বৈশ্বিক মহামারির প্রকোপে প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকার রপ্তানি আদেশ স্থগিত হয়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের তরফ থেকে দেয়া হয় বিপুল পরিমাণ আর্থিক প্রণোদনা।

বাংলাদেশের শ্রমের মূল্যমান কম হওয়ায় এদেশের অর্থনীতিও শ্রমনির্ভর। তাই বাংলাদেশের বেশিরভাগ শিল্পই উতপাদনমুখী। বাংলাদেশ পোশাক শিল্প যেহেতু শুধুমাত্র উৎপাদনমুখী, সেহেতু এর বিপণন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলীর ক্ষেত্রে পশ্চিমামুখী মনোভাব এবং বায়িং হাউজের উপর নির্ভরশীলতা দেশীয় পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি বড় দূর্বলতা, এবং এই দূর্বলতা কাটাতে না পারলে যে কোন দেশ, যেখানে কিনা শ্রমের মূল্যমান আমাদের চাইতেও তুলনামূলক কম, তারা যে কোন মুহুর্তেই আমাদের উতপাদনমুখীতাকে টপকে যেতে সক্ষম।

আমাদের পোশাক শিল্প ইউরোপ এবং আমেরিকার বাজার নির্ভরশীল হওয়ায় এই খাত বিভিন্ন সময়ই ন্যায্য মূল্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়, সেক্ষেত্রে যদি আমাদের আরো কয়েকটা টার্গেট মার্কেট এবং প্রয়োজনীয় বাজার গবেষণা সেট করা যায় তবে তা লাভজনক হবার অপার সম্ভাবনা বিদ্যমান। আর বর্তমান বিশ্বে বাজার গবেষণা এবং উপযুক্ত বাজার নির্বাচন, সম্পুর্ণ ডিজিটালাইজড পদ্ধতিতে করার সুব্যাবস্থা বিদ্যমান।

আর ঠিক সেই ধারণা থেকেই ই-আরএমজির জন্ম। ই-আরএমজি এমন একটি প্ল্যাটফরম যেখান থেকে তৈরী পোশাক খাতের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ লাভবান হতে সক্ষম। এই ডিজিটালাইজড প্ল্যাটফরমের মাধ্যমে বিশ্বের ছোট বড় সকল ফ্যাশন ব্র্যান্ড, তাদের চাহিদা ও প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট পোশাক প্রস্তুতকারক বাছাই করতে সক্ষম। একই সাথে দেশীয় ছোট বড় ও মাঝারি পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ও বায়িং হাউস বাংলাদেশের তৈরী পোশাকের মূল ভোক্তা বাজার অর্থাৎ ইউরোপ আমেরিকা ব্যাতীত অন্যান্য ভোক্তা বাজারেও তাদের নিজস্ব পণ্যের বাজারজাতকরণ এবং বিপণন করতে সক্ষম। যেহেতু তখন কোন একটি বা দুটি বাজারের প্রতি নির্ভরশীলতা এড়ানো যাবে, সেহেতু একই সাথে বিকল্প বাজার নির্বাচন করা যাবে, এবং পণ্যের ন্যায্য মূল্যও নিশ্চিত করা সম্ভব।

শুধু তাই নয়, ই-আরএমজি নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ ব্যাবস্থায় বৈশ্বিক বাজারে মার্কেটিং করার সুবিধা দেয়। এছাড়াও দেশীয় পোশাক প্রস্তুতকারকরা চাইলেই বিভিন্ন দেশের নামী দামী কোম্পানী কিংবা যে কোন স্টার্ট আপ এবং প্রাইভেট লেবেল থেকে গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যাবহ্রত বিভিন্ন কাঁচামাল আমদানী ও রপ্তানী করার সুবিধাও উপভোগ করতে পারেন। এবং একই প্ল্যাটফরম ব্যাবহার করে বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফ্যাশন ডিজাইনাররাও চাইলে বিভিন্ন পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করতে পারেন।

এছাড়াও তৈরী পোশাক খাতের বিভিন্ন সেক্টরে মান উন্নয়নের উদ্দেশ্যে কাজ করে যাচ্ছে ই-আরএমজি।
বিস্তারিত জানতে হলে ভিজিট করতে হবে – ermg.co

লেখকঃ
-আমিনুল ইসলাম আশিক
কার্যনির্বাহী, eRMG

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশকঃ ট্রাস্ট মিডিয়া হাউস © 2020-2023