May 19, 2024, 11:59 pm
শিরোনাম
মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে দেশটা: বিএনপি মহাসচিব ‘চ্যারিটি ফান্ড কেইউ’ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু পবিপ্রবিতে বিশ্বকবির ১৬৩ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন একজন আইনজীবীর প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করা : অ্যাটর্নি জেনারেল জাবিতে ছাত্রলীগ সম্পাদকের বান্ধবীকে নিয়োগ দিতে তোড়জোড় যুক্তিতর্ক দেখে সবাই ভাবতো ভালো প্রতিষ্ঠান থেকে এসেছি : শাহ মনজুরুল হক ইবিতে মুজিব মুর‍্যালে এ্যাটর্নি জেনারেলের শ্রদ্ধা নিবেদন  বাংলাদেশ পুলিশ পেশাদারিত্বের সাথে জনগণের নিরাপত্তা দিয়ে আসছে : আইজিপি ইবি অধ্যাপক ড. ইকবাল হোসাইনের আত্মার মাগফিরাতে দোয়া মাহফিল কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসংসদের সভাপতি হলেন জাবির সাবেক শিক্ষার্থী 

করোনায় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিঃজনজীবন বিপর্যস্ত

তৌহিদা আকতার
  • প্রকাশের সময় : Tuesday, April 13, 2021,
  • 72 বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

“ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়,পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।” বর্তমান বিশ্বে চলছে করোনা নামক মহামারীর কালো ছোবল।আসন্ন রমজান আর হঠাৎ করেই বেড়ে যাওয়া করোনার প্রভাবে লাগাম ছুটতে শুরু করেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের।অভাব আর দারিদ্র্যের কশাঘাতে আজকের জনজীবন দুঃখ ও হাহাকারে পরিপূর্ণ। তার উপর চেপে বসেছে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ঘোটক।একদিকে লকডাউনে গৃহবন্দি অন্যদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির ফলে বাজারে এখন হাত ঠেকানোই দায় হয়ে পড়েছে মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির।করোনাভাইরাসের কালো ছোবলে স্বল্প সন্ঞ্চয়ে দিন গুজঁরানো মানুষের আশায় পড়েছে টান।জীবনধারনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল নিত্যপন্যের অগ্নিমূল্য।চাল,ডাল,মাছ,মাংস,তেল,তরিতরকা, ফলমূলসহ সকল নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম আগেকার তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।ফলে খেটে খাওয়া মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে।দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবন ওষ্ঠাগত।লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলা দ্রব্যমূল্যের কারণে ক্ষোভে ফুঁসছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।চাহিদার পরিমাণ বেশি হলেও যোগানের পরিমাণ কম,তার উপর লকডাউন নামক থাবায় নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং শাকসবজির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বহুগুণে।কালোবাজারি,মুনাফাখোর,মজুতদার প্রভৃতি অসামাজিক কার্যকলাপ সামাজিক পরিস্থিতিকে করে তুলেছে বিপর্যস্ত।এহেন পরিস্থিতি দেশে সামগ্রিক পরিস্থিতির উপর প্রভাব ফেলছে চরমভাবে।আর তারই পরিণতিতে দ্রব্যমূল্য লাগামহীন অশ্বের মতো ছুটে চলেছে উর্ধ্বগতিতে।দ্রব্যমূল্য এমন পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে যা সাধারণ মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে বললেও অত্যুক্তি হবেনা।

বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির জন্য কয়েকটি বিশেষ কারণকে দায়ী করা যায়।লকডাউনের বিধিনিষে, জনসংখ্যা বৃদ্ধি , কৃষি উৎপাদন হ্রাস,রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং প্রশাসনিক দূর্নীতি ইত্যাদি কারনে দ্রব্যমূল্য দ্রুত বেড়েই চলেছে। মহামারী করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় সারাদেশে লকডাউন জারী রয়েছে।ফলে একস্থান থেকে অন্যস্থানে পন্য সরবরাহ করা যাচ্ছে না।পন্য সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় যোগানের পরিমাণ কমে গেছে।যার ফলে পন্যের দাম দ্রুত বেড়েই চলেছে।তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি একটি মারাত্মক সমস্যা। বাংলাদেশে এ সমস্যা আরো প্রকট।মাত্র ৫৬ হাজার বর্গমাইল আয়তনবিশিষ্ট এ দেশে ১৬ কোটি লোক বসবাস করে। আয়তনের তুলনায় এ সংখ্যা খুবই মারাত্মক। কৃষি প্রধান দেশ হিসেবে যে উৎপাদন হয়ে থাকে তা দিয়ে এ বিপুল জনগোষ্ঠীর চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয়ে উঠে না।তাই যোগানের চেয়ে চাহিদা বেশি হওয়ায় দ্রব্যমূল্য খুব দ্রুত বাড়তে থাকে। বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে তাল মিলিয়ে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায় না।কেননা কৃষক সময়মতো সার,বী, কীটনাশকের মতো প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী পায় না। এছাড়াও অনাবৃষ্টি,অতিবৃষ্টি এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগ কৃষি ক্ষেত্রে উৎপাদন হ্রাস করে থাকে।ফলে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ঘটতে বাধ্য।দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল তথা রাজনৈতিক
আন্দোলন,ধর্মঘট,হরতাল,মারামারি, রাহাজানি, ইত্যাদি কারণে একস্থান হতে অন্যস্থানে পন্য পরিবহনে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।ফলে উৎপাদিত পন্য সামগ্রী নষ্ট হয়ে যায়, যা পরবর্তীতে দ্রব্যের সংকট সৃষ্টি করে এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়। বাংলাদেশে বর্তমানে প্রশাসনিক দূর্নীতি বিরল ঘটনা নয়।অবৈধ ও দূর্নীতপরায়ন ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নাকের ডগার উপর দিয়েই অবৈধভাবে জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি করে থাকে। কিন্তু প্রশাসন তা দেখেও না দেখার ভান করে থাকে।এছাড়া ঘুষ খেয়ে এসকল অবৈধ ব্যবসায়ীদের শাস্তি না দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার নজিরও কম নয়।দূর্নীতি সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে অনুপ্রবেশ করেছে। তাই দূর্নীতিবাজদের খপ্পরে পড়ে সমাজ আজ দিশেহারা। দূর্নীতি যেখানে নীতি সেখানে সাধারণ জনজীবনে সুখের চিন্তা আকাশ-কুসুম কল্পনা মাত্র। কাজেই যারা দূর্নীতি করে দুপয়সা বাড়তি রোজগার করে থাকে তারাই বাজারে গিয়ে বেশিদামে দ্রব্যসামগ্রী ক্রয় করে থাকে যার ফলে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়।

বাজারের উপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে বিভিন্ন অজুহাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বাড়িয়ে সাধারণ মানুষকে বিপাকে ফেলছে।একবার যে পন্যের দাম বাড়ে তা আর কমে না। ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণের জন্য কনজিউমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(ক্যাব) প্রতিষ্ঠিত হলেও বাস্তবে তাদের কার্যক্রম লক্ষণীয় নয়।ক্যাব ভোক্তা অধিকার কতটুকু সংরক্ষণ করেছেন তা সর্বসাধারণের বিচার্য।

অস্বীকার করার উপায় নেই,আমাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন হয়েছে। বেতন বৃদ্ধি পেয়েছে,মজুরি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে আয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তবে এখানে উল্লেখ না করলেই নয়, সম্প্রতি ২০০০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে অতি দারিদ্র্য সবচেয়ে বেশি কমেছে এমন ১৫ টি দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক,সেই তালিকায় বাংলাদেশের নাম নে। ওই ১৫ টি দেশে যে গতিতে দারিদ্র্য কমেছে, বাংলাদেশ কমেছে তার চেয়ে কম গতিতে। এর কারণ হিসেবে বলা যায়-দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি। নিম্ন আয়ের মানুষ যা আয় করছে তার পুরোটাই শেষ হয়ে যাচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করতে।স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা ইত্যাদির জন্য ব্যয় করার মতো অর্থ তাদের হাতে থাকছে না।

দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি জনজীবনকে করেছে দূর্বিষহ। কালোবাজারি, মুনাফালোভী মজুতদাররা এই সমস্যাকে আরো প্রকট করে তুলেছে।পন্য ক্ষেত থেকে শহরের বাজার পর্যন্ত আসতে কৃষককে চাঁদা,দালা, মধ্যস্বত্ত্বভোগী, পরিবহন খরচ প্রভৃতি বাবৎ প্রচুর অর্থ গুনতে হয়।কৃষক তখন বাধ্য হয়ে পন্যের মূল্য বাড়িয়ে দেয়।একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী পন্য মজুত রাখে আর শুধুমাত্র নিজের স্বার্থে পন্যের দাম বাড়িয়ে দেয় বহুগুনে। অনেক সময় আমদানি পন্যের মূল্য বাড়িয়ে বিক্রি করে ব্যবসায়ীরা।এছাড়া জনসংখ্যা বৃদ্ধি, মাথাপিছু ফসলি জমির পরিমাণ হ্রাস পাওয়া, জমির অনূর্বরতার দরুন উৎপাদন কম হওয়া, অনুন্নত পরিবহন ব্যবস্থার কারণে পর্যাপ্ত পন্য বাজারজাত না হওয়া,চোরাচালান ইত্যাদি কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্যের মূল্য হচ্ছে আকাশচুম্বী। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি যদিও সারা বছরের ঘটনা তবুও রমজান মাসে প্রত্যেক পন্যের মূল্য হয়ে যায় দ্বিগুণের বেশি।তার উপর আবার ছাপিয়ে আছে লকডাউন নামক যান্ত্রিকতার বাহার।আবার রাজনৈতিক কারণ যেমন-হরতাল, অবরোধে পন্য পরিবহনে বাধাগ্রস্ত হয় এবং মূল্য বেড়ে যায় বহুগুন।এছাড়াও ঈদ, পূ, পহেলা বৈশাখসহ বিভিন্ন উৎসবে আমাদের দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক বেড়ে যায়। দ্রব্যের মূল্য যখন সাধারণ মানুষের আর্থিক সংগতির সাথে খাপ খায় না তখন সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা হয়ে পড়ে বিপর্যস্ত। দরিদ্র এবং মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো চরম কষ্টে পড়ে যায়।আর নিম্ন আয়ের বা বেকার মানুষগুলোর অবস্থা হয়ে যায় অবর্ণনীয়। অর্ধাহারে, অনাহারে কাটাতে হয় হতদরিদ্র মানুষদেরকে।অনেক সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ে, ফলে দেখা দেয় দুর্ভিক্ষ, মহামারী প্রভৃতি দূর্যোগ।এছাড়া জনমনে ক্ষোভ, হতাশা জমে তা রূপ নেয় বিক্ষোভ ও আন্দোলনে।দেশে বিরাজ করে অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা, ফলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়ে। সীমাবদ্ধ ক্রয়ক্ষমতা নিয়ে পন্যের বাজারে সাধারণ মানুষ হয়ে পড়ে কোণঠাসা, দিশেহারা, উদভ্রান্ত।

সাধারণ মানুষের উপর দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির এই ক্রমবর্ধমান চাপ যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব রোধ করা প্রয়োজন। এজন্য দেশের কালোবাজারি, চোরাচালানী রোধ করতে হবে সবার আগে।দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে হতে হবে আরো কঠোর ও দায়িত্বশীল। গ্রামীণ পর্যায়ের কৃষকদেরকে ঋণদানসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করতে হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে যাতে তারা সহজে পন্য বাজারজাত করতে পারে এবং ন্যায্যা মূল্যে উৎপাদিত পণ্য বিক্রয় করতে পারে। সরকারকে প্রতিটি পণ্যের মূল্য নির্ধারিত করে দিতে হবে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এতে করে দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার আয়ত্ত্বে থাকবে।দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির এই দুঃখের দিনেও আশার কথা হচ্ছে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সরকার কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। দ্রব্যমূল্য যাতে বিক্রেতারা ইচ্ছামত বাড়াতে না পারে তার জন্য দোকানে পন্যের নির্ধারিত মূল্য তালিকা টানানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর এবিষয়টি মনিটরিং করার জন্য “টিসিরি” কে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া দেশের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অসাধু ব্যবসায়ীদের শাস্তির ব্যবস্থা করেছে সরকার। শুধু সরকার নয়, সাধারণ মানুষকেও দ্রব্যমূল্য সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধের জন্য সামাজিকভাবে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। অসৎ ও মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে।

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধ কল্পে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। বর্তমানে লকডাউন অব্যাহত থাকলেও পন্য সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়। দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য সরকারকে মুদ্রাস্ফীতি কমিয়ে আনতে হবে। অসাধু ব্যবসায়ী,মজুতদার ও কালোবাজারিদের বিরূদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ফটকা কারবারিদের বিরূদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং একচেটিয়া রোধ করতে হবে।সরকারকে প্রয়োজনে ভর্তুকি দিতে হবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্যের উৎপাদণ বৃদ্ধি করতে হবে। এছাড়াও লক্ষ করা যাচ্ছে, অনেক রপ্তানিকারক শাকসবজিসহ বিভিন্ন ধরনের পন্য অতিরিক্ত লাভের আশায় দেশের চাহিদা না মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করছে।এক্ষেত্রে সরকারের প্রতিটি পন্যের রপ্তানির একটা নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া উচিত। প্রতিটি দ্রব্যের বাজারমূল্য নির্ধারণ করার পাশাপাশি ভেজাল খাদ্যদ্রব্যের হাত থেকে রক্ষার জন্য সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতা ও সমন্বয়ে মোবাইল কোট স্থাপন আরো জোরদার করতে হবে। ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বাজার তদারকি নিশ্চিত করতে হবে।সর্বোপরি ক্যাবকে কার্যকরী করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

তৌহিদা আকতার
রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশকঃ ট্রাস্ট মিডিয়া হাউস © 2020-2023