May 22, 2024, 5:11 pm
শিরোনাম
বেরোবি ফিল্ম এন্ড আর্ট সোসাইটির নেতৃত্বে সোয়েব ও অর্ণব ইবি রোভার স্কাউটের বার্ষিক তাবুঁবাস ও দীক্ষা অনুষ্ঠান শুরু সেভেন স্টার বাস কাউন্টারের কর্মীদের হামলার শিকার পবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা, আহত ৫ শিক্ষার্থীদের জন্য সাংবাদিকতায় বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের আয়োজন করলো নোবিপ্রবিসাস ইবি ছাত্রলীগ সহ-সম্পাদকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জাবিতে কুরআনের অনুবাদ পাঠ প্রতিযোগিতার পুরুষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে দেশটা: বিএনপি মহাসচিব ‘চ্যারিটি ফান্ড কেইউ’ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু পবিপ্রবিতে বিশ্বকবির ১৬৩ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন একজন আইনজীবীর প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করা : অ্যাটর্নি জেনারেল

রাবিতে ফেল করেও ভর্তির সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ভর্তি বাতিলের দাবি

মোঃ সোহাগ আলী/রাবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : Monday, November 14, 2022,
  • 0 বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ভর্তি পরীক্ষায় পোষ্য কোটা বাতিল এবং ফেল করেও ভর্তির সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ভর্তি বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৩ নভেম্বর) বেলা এগারোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

ফেল করেও ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীদের অবিলম্বে ভর্তি বাতিল করা, বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান পোষ্য কোটা বাতিল করা, জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ভর্তি বাতিলসহ এই চক্রের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয় মানববন্ধন থেকে।

মানববন্ধনে দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী আশিকুল্লাহ মুহিবের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, রাকসু আন্দোলন মঞ্চের সমন্বক আবদুল মজিদ অন্তর, রাবি শাখা ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মহাব্বত হোসেন মিলন, সদস্য সচিব আমানুল্লাহ খান, নাগরিক ছাত্র ঐক্যের সভাপতি মেহেদী হাসান মুন্না, ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান প্রমুখ।

মানববন্ধনে রাকসু আন্দোলন মঞ্চের সমন্বয়ক আব্দুল মজিদ অন্তর বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রাম থেকে আসা দরিদ্র শিক্ষার্থীরা মেধার বলে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়। কিন্তু এখন দেখছি, সেই সাধারণ শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত করে, ফেইল করা শিক্ষার্থীদের ভর্তির মাধ্যমে বৈষম্য তৈরী করা হচ্ছে। আমরা চাই, ফেল করেও যে সকল অযোগ্য শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছে, তাদের ভর্তি বাতিল করতে হবে। কর্মকর্তা, শিক্ষক, কর্মচারীদের অযোগ্য সন্তানরা কোটার জোরে ভর্তি হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম খর্ব করছে।

তিনি আরো বলেন, এবছর ভর্তি জালিয়াতির মাধ্যমে কয়েকজন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। যারা এই জালিয়াতি চক্রের সাথে জড়িত রয়েছে তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। যদি ফেল করেও ভর্তি ভর্তির সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থী ও জালিয়াতি চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়, তাহলে আমরা ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে যাবো।

নাগরিক ছাত্র ঐক্যের সভাপতি মেহেদী হাসাম মুন্না বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে ধ্বংস করার জন্য পোষ্য কোটাকে যে রূপ দেওয়া হয়েছে, তা অনৈতিক। বিশ্ববিদ্যালয়কে গোয়ালঘরে পরিণত করা হয়েছে। পরিবারতান্ত্রিক, স্বজনপ্রীতিসুলভ ও স্বৈরতান্ত্রিক কাঠামোই এর জন্য দায়ী। এছাড়া, জালিয়াতি করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পরেও, কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করেনি প্রশাসন। আমরা প্রশাসনকে বলতে চাই যে ফেলকৃত শিক্ষার্থীদের এবং ভর্তি জালিয়াতি (একজনের পরীক্ষা অন্যজন দেওয়া) করে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ভর্তি বাতিল করতে হবে। অন্যথায় যারা যোগ্যতা দিয়ে ভর্তি হয়েছে, তাদের সাথে ফেল করেও কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে দিবো না।

এর আগে, গত রবিবার (৬ নভেম্বর) ভর্তি পরীক্ষা উপ-কমিটির সভায় পাস মার্ক কমিয়ে অকৃতকার্য হওয়া ৭১ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সংরক্ষিত পোষ্য (ওয়ার্ড) কোটা, খেলোয়াড় কোটা এবং বিশেষ বিবেচনায় তাদের ভর্তির সুযোগ দেওয়া হয়েছিলো। সংরক্ষিত ওয়ার্ড কোটা ১% শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছিলো এই সভায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ কর্তা-ব্যক্তিরা অকৃতকার্যদের ভর্তি করার পক্ষে ছিলেন না, কিন্তু বিভিন্ন জায়গার চাপে তারা এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন বলেও জানা গেছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশকঃ ট্রাস্ট মিডিয়া হাউস © 2020-2023