May 19, 2024, 11:57 pm
শিরোনাম
মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে দেশটা: বিএনপি মহাসচিব ‘চ্যারিটি ফান্ড কেইউ’ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু পবিপ্রবিতে বিশ্বকবির ১৬৩ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন একজন আইনজীবীর প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করা : অ্যাটর্নি জেনারেল জাবিতে ছাত্রলীগ সম্পাদকের বান্ধবীকে নিয়োগ দিতে তোড়জোড় যুক্তিতর্ক দেখে সবাই ভাবতো ভালো প্রতিষ্ঠান থেকে এসেছি : শাহ মনজুরুল হক ইবিতে মুজিব মুর‍্যালে এ্যাটর্নি জেনারেলের শ্রদ্ধা নিবেদন  বাংলাদেশ পুলিশ পেশাদারিত্বের সাথে জনগণের নিরাপত্তা দিয়ে আসছে : আইজিপি ইবি অধ্যাপক ড. ইকবাল হোসাইনের আত্মার মাগফিরাতে দোয়া মাহফিল কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসংসদের সভাপতি হলেন জাবির সাবেক শিক্ষার্থী 

সম্পর্ক ও অপ্রত্যাশিত শূন্যস্থান

মুক্তা আক্তার
  • প্রকাশের সময় : Tuesday, April 6, 2021,
  • 111 বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মানব সৃষ্টির প্রাচুর্যে ‘সম্পর্ক’ একটি প্রাকৃতিক বিষয় যা কেউ ব্যক্তিগতভাবে নিজের পছন্দের প্রেক্ষিতে নির্বাচন করতে পারে না। সম্পর্কের বড় এবং ছোট হবার ধারাবাহিকতায় ছোটরা বড়দের মান্য করবে, কথা শুনবে, বড়দের সিদ্ধান্তগুলো নিজ হিতার্থে মেনে নেবে, সদা কৃতজ্ঞ ও সম্মানসূচক আচরণ করবে এটা বিধিলিপির মত প্রত্যাশিত মনে করা হলেও বিষয়টি বাস্তবিকই কতটা সম্ভব তা নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনার প্রয়োজন আবশ্যক । আবার বড়দের প্রতিও স্নেহ, মমতা, আবদার-আহ্লাদপূর্ণ ছোটদের রয়েছে কিছু প্রত্যাশা যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোণঠাসা পরিস্থিতিতে পরে নিরাশা সৃষ্টি করে। ফলে সময়ের সাথে বড়-ছোট সম্পর্কে তৈরি হয় এক অপ্রত্যাশিত শূন্যস্থান। এসবকিছুই কার্যকারণের অদেখা ভবিতব্য। কর্মে সফলতা অর্জনের জন্য এবং যথাযথভাবে জীবন অতিবাহিত করার প্রচেষ্টায় মানুষ ব্যক্তিগত, সামাজিক, রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজ দক্ষতার ভিত্তিতে নিজস্ব শক্ত অবস্থান তুলে ধরতে নিয়োজিত থাকে। এই ব্যক্তিগত ও সামাজিক অর্জনটি চাহিদা সোপানের সবচেয়ে উপরের ধাপ অথচ যার নিচের ধাপগুলোতে মানুষের আপ্রাণ চেষ্টা থাকে মৌলিক চাহিদা পূরনের মাধ্যম টিকে থাকা। সফলতার সাথে সাথে তৈরি হয় সামাজিক ও ব্যক্তিগত মর্যাদা বৃদ্ধির প্রতিযোগিতা। বিষয়টি একদিনে যেমন অর্জন করা অসম্ভব তেমনিভাবেই স্বল্প সময়ের লালিত কিঞ্চিৎ চেষ্টার ফলে এই আত্মমর্যাদার অনুভূতির ভিত গড়ে ওঠে না। মুদ্রার চকচকে পিঠে আত্মমর্যাদা নামক বাগড়ম্বরপূর্ণ শব্দ নজর কাড়লেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্থান, কাল ও পাত্র ভেদে একে ঔদ্ধত আচরণে পূর্ণ, যথাযথ শিষ্টাচারের অভাবে মানবিক গুণে পরিপূর্ণ বিকশিত না হবার ফলাফল বলা যেতে পারে। যখন ছোট্ট শিশুর মুখে বড়দের মত করে বলা কথার ফুলঝুড়ি শুনে আমরা মনে মনে হাসি, হাততালি দেই, সাবাসি না হোক অন্তত আনন্দ বিনোদনের উপাদান হিসেবে দৃষ্টিগোচর করে থাকি সেটা নিতান্তই দূরদর্শিতার অভাবে শিশুর জন্য ক্ষতি ছাড়া কিছুই নয়। কারণ সময়ের সাথে শিশু মনে উল্লেখিত আচরণসমূহ ‘হাসি-তামাশার উপাদান’ এই ধারণা স্থায়ী হয়ে রয়ে যায়। সে ভাবতে শেখে তার আচরণে সবাই আনন্দ পাচ্ছে, এতে দোষ বা ভুল কিছু নেই। অথচ একই শিশু কিছুটা বড় হবার পর সেই একই আচরণের জন্য উশৃঙ্খল উপাধি পেয়ে থাকে। মূলত কার আচরণে পরিবর্তন ও পরিবর্ধন প্রয়োজন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না৷ কথাগুলো বেশ কাঠখোট্টা ও বিক্ষিপ্ত শোনাচ্ছে; কিছু উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট করা যাক। আজকাল সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে পরিবারগুলোতে সদস্যদের মধ্যে পারস্পারিক সম্মানবোধের ব্যাপক ঘাটতি দেখা যায়। সম্পর্কের নিজস্ব কিছু প্রতিষ্ঠিত স্থান, গুরুত্ব ও মর্যাদা রয়েছে। ক্রমাগত মানবিক উন্নয়নে পরিকল্পিত সময় দেবার পরিবর্তে আমরা জীবনকে করে তুলি প্রতিযোগিতা ও তুলনামূলক সাফল্যের এক ধারাবাহিক যাত্রার মত। ছোট থেকে প্রতিযোগী পরিবেশে ঠেলে দিয়ে মানবিক গুণাবলি বিকশিত হবার জন্য পর্যাপ্ত সময় না দিয়ে ছোটদের জন্য তৈরি করা হয় মানসিকভাবে বিক্ষিপ্ত পরিবেশ। ভালো করতে হবে, বড় হতে হবে, আরো বেশি দক্ষ হতে হবে কিংবা অপরের তুলনায় বেশি সফল হতে হবে বিষয়সমূহের মধ্যে ছোটদের জীবনকে আমরা বদ্ধ করে রাখি। যে বয়সে ছোটদের উৎফুল্লতার সাথে এক সাধারণ জীবন সম্পর্কে ধারনা থাকার কথা সেই বয়সে তারা হয়ে ওঠে গম্ভির প্রকৃতির। শুধু পুঁথিগত বিদ্যায় বিভোর থেকে থেকে মৌলিক মানবীয় গুণাবলি বিকশিত তো হয়ই না বরং সময়ের সাথে আচরণে আসে পরিবর্তন। মিষ্টি মিষ্টি কথায় বিভোর করা সেই ছোটরা বড় হতে থাকে। বিরক্তি, নিজস্ব মতবাদের বিরুদ্ধে বড়দের নেয়া সিদ্ধান্তগুলোর সুফল-কুফল সম্পর্কে বিবেচনাসহ নানান বিষয়ে মতপার্থক্য ক্রমে স্পষ্ট হতে থাকে। অপর দিকে বড় হবার সুবাদে ছোটদেরকে সঠিক দিশা দেখাবার উদ্দেশ্যে নেয়া নানান সিদ্ধান্ত ও আচরণে বিস্তর ফারাক তৈরি হতে থাকে বড়-ছোট সম্পর্কে। অভিভাবকত্বের দোহাই দিয়ে কখনো বড়দের অতিরিক্ত কঠোরতা ও স্বৈরাচারী ব্যবহার হিতে বিপরীত ফলাফল বয়ে আনে। ছোটদের পছন্দ অপছন্দের তেয়াক্কা না করে সবকিছুতে ‘না’ বলার প্রবণতা আচরণে বিরক্তি এনে দেয়। ফলে সময়ের সাথে সাথে ছোটরাও বড়দের সিদ্ধান্তে ‘না’ বলা শিখে ফেলে। এক্ষেত্রে শুরুটা কেন, কিভাবে, কখন কিংবা কার দ্বারা সূচনা হয় তা ইতোমধ্যে স্পষ্ট হয়েছেে আশা করি। আমরা যদি ছোটদের সত্যিকার অর্থে নিয়ন্ত্রণ করতে চাই তাহলে সবার পূর্বে তাদের মানসিক দিক পর্যবেক্ষণ করতে হবে। খারাপ কোন কিছুর প্রভাব থেকে বের করতে অবশ্যই তার জন্য পূর্বের থেকে উত্তম কোন বিকল্প খুজে নিতে হবে যা তার জন্য অধিকতর উপযোগী। ধরা যাক ছোটরা মোবাইল গেমিং এ আসক্ত হয়ে পড়ছে যা নিঃসন্দেহে ক্ষতিকর। এই ক্ষতিকর দিকটি সুন্দর এবং যথোপযুক্ত উপায়ে তাকে বোঝাতে হবে, একই সাথে কিছু মনোদীপ্ত বিকল্প ব্যবস্থা করে তার সুফল পরিস্কার করা জরুরি যা তাকে গেমিং এর আসক্তি ভুলে থাকতে সহায়তা করবে। হতে পারে সেটা সাঁতার প্রশিক্ষণ, সাইকেল শেখানো কিংবা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবলোকনে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে হেঁটে বেড়ানো। আফসোসের বিষয় এই যে, আমরা সমস্যা নির্ধারণ করতে পারি এবং সমাধানও ঠিক করি কিন্তু যান্ত্রিক জীবনে এগুলো মোকাবেলা এবং সমাধান করার জন্য আমাদের হাতে যথেষ্ট সময় নেই। আর তাই সহজ সমাধান হিসেবে ছোটদের হাতে প্রযুক্তি নয় বরং প্রযুক্তির হাতে করেছি ছোটদের সোপর্দ। সম্পর্কে এই বড়-ছোট ধারা তো প্রকৃতির তৈরী কিন্তু সম্মানবোধ তৈরী প্রাকৃতিক নয় বরং অর্জনভিত্তিক। দূরদর্শিতার সাথে দায়িত্বশীল বড় যারা থাকেন তারা ছোটদের সাথে সমঝোতা করবে, পারস্পরিক সুবিধা-অসুবিধা, সামর্থ্য-অসামর্থ্য, দক্ষতা-দুর্বলতাকে বিবেচনায় রেখে সঠিক দিশায় পরিচালনা করার পাশাপাশি নৈতিক ও মানবিক পরিবর্তনে সমানভাবে সচেষ্ট হতে হবে। ইদানিংকালে প্রায়ই বলতে শোনা যায়, আমাদের সন্তান বা ছোট সম্পর্কের কেউ আমাদের কথা শোনে না। আমাকে পর্যাপ্ত সম্মান ও মূল্যায়ন করে না বা ছোটরা কৃতজ্ঞ নয়। এ অশ্রদ্ধা নিশ্চয়ই একদিনে তৈরি হয় না। ছোটবেলা থেকে পড়াশুনায় প্রতিযোগিতার পাশাপাশি ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন, ভালো মানুষ হবার স্বপ্নের বীজ বপন, অতি যত্নে সে বীজ বেড়ে ওঠায় সহায়তা ও পৃষ্ঠপোষকতা সমানভাবে গুরুত্বের দাবী রাখে। ছোটদের মনস্তাত্ত্বিক গঠন বুঝে বড়দের নিয়ম নির্ধারণ, সঠিক পথ প্রদর্শন, একই সাথে তা পর্যবেক্ষণ করা জরুরি। জীবনের অনেকটা সময় পার্থিব চিন্তা জগতের সাথে খাপ খাইয়ে যখন আমরা ছোটদের থেকে পরিপূর্ণ ভালো আচরণ ও সম্মান আশা করি তখন তা বাস্তবিকই অসম্ভবের পথে পা বাড়িয়েছে। ডক্টর, ইঞ্জিনিয়ার, পাইলট কিংবা পেশাগত দক্ষতা অর্জনের জন্য ছোটদের যতটা গুরুত্বের সাথে পরিচালন করা হয় তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি যত্নের প্রয়োজন হয় মানুষ গড়ার জন্য। একজন ভালো মানুষ গড়ার পরিকল্পনাকে সামনে রেখে শিশুর আচরণের গতিবিধি পর্যবেক্ষণপূর্বক ছোটদের পাশাপাশি দায়িত্বে থাকা সম্পর্কে বড়দের আচরণেও বিস্তর পরিবর্তন আনা জরুরি। আমাদের আশেপাশে অনেক মানুষ রয়েছেন যারা কর্মক্ষেত্রে প্রচন্ড দক্ষতার পরিচয়ে দিয়ে সবার প্রশংসা কুড়োতে ব্যস্ত অথচ সন্তান কোন শ্রেণীতে পড়ছে, কখন ঘরে ফিরছে, কি তার মানুষিক ও শারিরীক বিকাশের পর্যায় তার বিন্দুমাত্র খবর নেই। তারপর হঠাৎ একদিন নানান অনিয়ম চোখে পরে, দোষারোপ করি আমরা গৃহে থাকা সদস্যদের, হতাশা দেখাই সমাজ ব্যবস্থার উপর। অথচ দায়িত্বের ভার আমারও ছিলো, ছোটদের অনৈতিক আচরণের দায় আমার উপরেও সমানভাবে বর্তায় যা উপেক্ষা করার কোন সৎ উপায় আমার জানা নেই। প্রতিটা সময় সুন্দর, প্রতিটা সুন্দরের জন্য কিছু সঠিক মাত্রার সময়ের সদ্ব্যবহার অনিবার্য। আপনার আমার দায়িত্বে থাকা বয়সে ছোট যেসকল সদস্য পরিবার কিংবা কাছের সম্পর্কে রয়েছে তাদের আচরণে দোষারোপ না করে পর্যাপ্ত সময়ের সাথে বিষয়গুলোকে গুরুত্বপূর্ণভাবে নেয়া ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেয়ার পাশাপাশি বয়স অনুযায়ী শিশুর মানুষিক বিকাশে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। সময়ের এক ফোঁড়, অসমশের দশ ফোঁড়ে কখনো পূরণ করা সম্ভব নয়। যে বয়সে নৈিক শিক্ষায় ছোটরা বড়-ছোট সম্মানের মর্যাদা বুঝতে ও মানতে পারবে তার থেকে বেশি সময় অতিক্রম হয়ে গেলে উদ্দেশ্য পূরণ হয় না। ছোট থেকে কথা, গল্প কিংবা খলার ছলে এই বিষয়গুলো শিশুমনে গভীরভাবে গেঁথে দেবার জন্য বড়দের বিচক্ষণতার সাথে আচরণ করতে হবে যা আধুনিকতার ছোঁয়ায় আমরা প্রায় ভুলতে বসেছি। এক্ষেত্রে মানবিক গুণাবলি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দেয়া, দেশ কাল ও পরিবেশ বিষয়ক যথাযথ আলোচনা, পর্যাপ্ত গুনগত সময় কাটানোর ব্যবস্থা, সর্বদা ভালো আচরণের মাধ্যমে ছোটদেরকে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়া, তাদের ভালো-মন্দের সম্যক ধারণাসহ ধর্মীয় শিক্ষাদানের মাধ্যমে সক্রিয় জীবন যাপনে সাহায্য করতে হবে। পেশাগত জীবনে আপনার কনিষ্ঠ সদস্যদের সফল হবার জন্য যে পৃষ্ঠপোষকতা, সময়, অনুপ্রেরণা ও প্রত্যাশার পথ বাস্তবায়নের সহায়তা দরকার তদ্রূপ আদর্শ মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবেও প্রতিটি ক্ষেত্রে সতর্ক থেকে সহোযোগী মনোভাব নিয়ে পাশে থাকা জরুরি। একটি শিশু শৈশব থেকে বড়দের তত্ত্বাবধানে যে জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয় তার মূল ভিত্তি সেখান থেকেই তৈরি হয়। বড় হবার সুবাদে স্বেচ্ছাচারী মনোভাব লালন করে ছোটদের হেয় প্রতিপন্ন করা, ছোটদের বিকাশের সময়রাকে দৃষ্টিগোচর করে সর্বদা নিজ মতামত ও সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়া, উদ্ধত আচরণ, রাগ, জেদসহ নানাবিধ নেতিবাচক আচরণ ছোটদের মনে বড়দের প্রতি অশ্রদ্ধার জন্ম দেয় যা সময়ের সাথে অত্যন্ত খারাপ প্রতিফলন তৈরি করে। বন্ধুসুলভ আচরণ, ছোটদের মতামতকে প্রাধান্য দেয়া, কোন বিষয়ের ভালো-খারাপ প্রসঙ্গে খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণসহ ছোটদের প্রতিও সম্মানসূচক আচরণ করা বাঞ্ছনীয়। আমরা অন্যের কাছে যে ব্যবহার আশা করি তা নিজ কর্মপন্থার মাধ্যমে বাস্তবিক উদাহরণ সরূপ উপস্থাপন করে শেখাতে হবে তবেই ছোটরা কথা শোনেনা, সম্মান করে না, কৃতজ্ঞ নয় এরূপ বড় বড় সামাজিক সমস্যার সহজে সমাধান সম্ভব। নিজ নিজ অবস্থান থেকে সঠিক পরিবর্তন ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে সম্পর্কে সৌন্দর্য ও সম্মান বৃদ্ধি অধিক ফলপ্রসূ হবে।

মুক্তা আক্তার
শিক্ষার্থী, একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগ,
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশকঃ ট্রাস্ট মিডিয়া হাউস © 2020-2023