May 24, 2024, 12:59 am
শিরোনাম
গিয়াস ও সামির নেতৃত্বে ইবি’র কক্সবাজার জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি পবিপ্রবিতে অফিসার্স এসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা পবিপ্রবিতে ‘পাওয়ারিং দ্যা ফিউচার’ শীর্ষক সেমিনার ইবিতে কক্সবাজার জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির পুনর্মিলনী ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত বেরোবি ফিল্ম এন্ড আর্ট সোসাইটির নেতৃত্বে সোয়েব ও অর্ণব ইবি রোভার স্কাউটের বার্ষিক তাবুঁবাস ও দীক্ষা অনুষ্ঠান শুরু সেভেন স্টার বাস কাউন্টারের কর্মীদের হামলার শিকার পবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা, আহত ৫ শিক্ষার্থীদের জন্য সাংবাদিকতায় বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের আয়োজন করলো নোবিপ্রবিসাস ইবি ছাত্রলীগ সহ-সম্পাদকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জাবিতে কুরআনের অনুবাদ পাঠ প্রতিযোগিতার পুরুষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

সিটে তুলে দিলো প্রাধ্যক্ষ,নামিয়ে দিলো ছাত্রলীগ

মোঃ সোহাগ আলী, রাবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : Friday, February 18, 2022,
  • 1 বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মাদার বখ্শ হল থেকে এক আবাসিক শিক্ষার্থীর বিছানাপত্র বের করে দিয়েছে শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হলের ১৫৩ নম্বর কক্ষ থেকে বিছানাপত্র বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে আবাসিক শিক্ষক গিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী হলেন মহিবুল্লাহ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। অন্যদিকে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মী জাহিদ হাসান সোহাগ। তিনি রাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনুর অনুসারি। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও হল প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত সপ্তাহে হল প্রাধ্যক্ষের মাধ্যমে মহিবুল্লাহ ১৫৩ নম্বর কক্ষে উঠেন। শুক্রবার দুপুরে সোহাগের নেতৃত্বে কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মী গিয়ে তার বিছানাপত্র বের করে দেয় এবং তাকে রুম থেকে চলে যেতে বলেন। পরে মহিবুল্লাহ বিষয়টি হল প্রাধ্যক্ষকে জানালে প্রাধ্যক্ষ ওই হলের আবাসিক শিক্ষক সাজু সরদারকে পাঠান। সাজু সরদার বিষয়টি সমাধানে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মী সোহাগ, হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা প্রিন্স, ছাত্রলীগ কর্মী আশিকুর রহমান অপুকে নিয়ে প্রাধ্যক্ষের কক্ষে বসেন।

খবর পেয়ে সেখানে কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত হন। এসময় আবাসিক শিক্ষক দুই শিক্ষার্থীর সিটের বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন। তবে ছাত্রলীগ কর্মী সোহাগ সমাধানে রাজি হয় নি। এক পর্যায়ে সাংবাদিকরা বিছানা বের করার বিষয়ে আবাসিক শিক্ষক সাজু সরদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হয় নি। এসময় এক সাংবাদিক হলের সিট বাণিজ্য নিয়ে কথা বলতেই উপস্থিত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা উত্তেজিত হয়ে যায়।

এসময় ছাত্রলীগ কর্মী সোহাগ বলেন, ‘এতক্ষণ লিগ্যাল কথা হচ্ছিল। সিট বাণিজ্যের বিষয়টি আসলো কেন? এখন আমি এই ছাত্রকে হল থেকে নামিয়ে দেব। কে আসে আসুক। আপনি (আবাসিক শিক্ষক), প্রভোস্ট স্যার আর সাংবাদিক আসুক সমস্যা নাই।’

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু বলেন, ওই সিটে আমাদের ছাত্রলীগের এক কর্মী ওঠার কথা ছিল। কিন্তু সেখানে অন্যজন উঠে। বিষয়টি নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল। পরে হলের আবাসিক শিক্ষক বিষয়টি সমাধান করে দিয়েছেন।

এ বিষয়ে আবাসিক হল শিক্ষক সাজু সরদার বলেন, হলের সিট নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। আমি দুই পক্ষকে ডেকে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছিলাম। এসময় উচ্চস্বরে হয়ে সোহাগ ওই শিক্ষার্থীকে যেকোনো মূল্যে নামিয়ে দেওয়ার হুশিয়ারি দেন। আমি বিষয়টি হল প্রাধ্যক্ষকে জানিয়েছি। এছাড়া ওই শিক্ষার্থীকে রুমে থাকার নির্দেশ দিয়েছি।

সার্বিক বিষয়ে জানার জন্য মাদার বখশ হলের প্রাধ্যক্ষ শামীম হোসেনকে একাধিকার ফোন করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশকঃ ট্রাস্ট মিডিয়া হাউস © 2020-2023