May 22, 2024, 4:52 pm
শিরোনাম
বেরোবি ফিল্ম এন্ড আর্ট সোসাইটির নেতৃত্বে সোয়েব ও অর্ণব ইবি রোভার স্কাউটের বার্ষিক তাবুঁবাস ও দীক্ষা অনুষ্ঠান শুরু সেভেন স্টার বাস কাউন্টারের কর্মীদের হামলার শিকার পবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা, আহত ৫ শিক্ষার্থীদের জন্য সাংবাদিকতায় বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের আয়োজন করলো নোবিপ্রবিসাস ইবি ছাত্রলীগ সহ-সম্পাদকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জাবিতে কুরআনের অনুবাদ পাঠ প্রতিযোগিতার পুরুষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে দেশটা: বিএনপি মহাসচিব ‘চ্যারিটি ফান্ড কেইউ’ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু পবিপ্রবিতে বিশ্বকবির ১৬৩ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন একজন আইনজীবীর প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করা : অ্যাটর্নি জেনারেল

যবিপ্রবিতে নিয়োগ বাণিজ্যে জড়িতদের অপসারনের দাবিতে  মানববন্ধন

রুহুল আমিন/ যবিপ্রবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : Saturday, January 8, 2022,
  • 1 বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) নিয়োগ বাণিজ্যের নিউজ প্রকাশিত হওয়ায় সারাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়ায় অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইকবাল কবীর জাহিদকে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ বোর্ড হতে অনতিবিলম্বে অপসারন ও উপাচার্য়েও অর্ডারলী পিয়ন কে এম আরিফুজ্জামান সোহাগকে বিচারের আওতায় আনা সহ তিন দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ^বিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারি সমিতি। আজ শনিবার দুপুর ১২ টায় যবিপ্রবির মাইকেল মধুসূদন ও কাম গ্রন্থাগার ভবনের সামনের সড়কে তিন শতাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর অংশগ্রহণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

যবিপ্রবি কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতির সম্মিলিত ব্যনারে মানববন্ধনে বিভিন্ন দাবিদাওয়া তুলে ধরেন নেতাকর্মীরা। বক্তারা বলেন, বিগত কয়েকদিন আগে একটি জাতীয় দৈনিকে অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইকবাল কবীর জাহিদ ও কর্মচারী কে এম আরিফুজ্জামান সোহাগকে নিয়ে নিয়োগ বাণিজ্যের সংবাদ প্রকাশিত হওয়া সারাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে। কর্মচারী নিয়োগ বোর্ডে অধ্যাপক ড. জাহিদের সদস্য পদের মেয়াদ উত্তীর্ন হওয়ার পরও ৮/৯ মাস স্বপদে বহাল রয়েছেন। অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারনী সভা রিজেন্ট বোর্ড ও তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগ বোর্ড হতে অনতিবিলম্বে অপসারন করার দাবি জানান তারা। তাছাড়া নিয়োগ বাণিজ্যের অন্যতম সহযোগী কর্মচারী কে এম আরিফুজ্জামান সোহাগকে কর্মকান্ডের জন্য বিচারের আওতায় আনার দাবিও জানানো হয়। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবী-দাওয়া মানা হচ্ছে না বলেও অভিয়োগ করেন তারা। যতক্ষণ দাবী মানা না হবে ততক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ কমিটি ও রিজেন্ট বোর্ডেও সকল কর্মকান্ড হতে বিরত থাকবেন বলে হুশিয়ারিও দেওয়া হয়।

মানববন্ধনে কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি এটিএম কামরুল হাসান বলেন, ক্যাম্পাসে নিয়োগ বাণিজ্যেও মূল হোতা এ ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে চাপা গুঞ্জন সবসময়ই ছিলো। সাহসের অভাবে কেউ কখনও প্রতিবাদ করতে সাহস করেননি। উপাচার্যের নিকট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবিদাওয়া নিয়ে গেলেও বিগত আড়াই বছর ধরে কোনো দাবির সুরাহা হচ্ছে না। কোনো বিষয়ে অভিযোগ বা সমস্যা তৈরী হলে তা সমাধানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কমিটি করে দেওয়া হয় তার কোনো ফলাফল দেওয়া হয় না। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবিগুলো নায্য ও যৌক্তিক এ নিয়ে গড়িমসি করার কোনো সুযোগ নেই।

মানববন্ধনে কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী হেলালুর ইসলাম বলেন, আমরা দেখেছি সারাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শুধু যবিপ্রবিতেই আপগ্রেডেশনের ক্ষেত্রে অযাচিত শর্ত আরোপ করা হয়। আপগ্রেডেশনের বিষয়ে উপাচার্যের সম্মতি থাকলেও তার আশেপাশে একটি চক্র গড়ে উঠেছে যারা কর্মকর্তা কর্মচারীদের তাদের সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে নিজেদের একটি বলয় তৈরি করে দুর্নীতির পথ সচল রাখতে চাইছে। তিনি আরও বলেন, একটি জাতীয় দৈনিকে বিশ^বিদ্যালয়ের একটি নিয়োগ সিন্ডিকেটের সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদটি যদি ভুয়া ও ভিত্তিহীন হতো তাহলে নিশ্চয়ই অভিযুক্ত ব্যক্তি পত্রিকায় প্রতিবাদলিপি ও আদালতে মানহানির করতে পারতেন। কিন্তু তাদেও পক্ষ থেকে এমন কোনো পদক্ষেপ লক্ষ করা যায় নি, তাহলে এখন আমাদেরকে ধরেই নিতে হচ্ছে বিষয়টি সত্য।

বার বার নিয়োগ বোর্ডে ড. ইকবাল কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, এ প্রশ্ন রিজেন্ট বোর্ডেকে করতে হবে। রিজেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে নিয়োগ বাছাই বোর্ড গঠিত হয়।” ড. ইকবাল যবিপ্রবি উপাচার্যের মনোনীত নিয়োগ বাছাই বোর্ড মেম্বার বললে তিনি তা অস্বীকার করেন। অধ্যাপক ড. ইকবাল কবির জাহিদের বিরুদ্ধে কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতি কর্তৃক আনীত অভিযোগের বিষয়ে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানতে চাইলে উপাচার্য বলেন, “যদি তদন্ত করার মত কোন অভিযোগ পায় তাহলে তদন্ত করবো। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতি একই ব্যানাওে একসাথে কোনো কর্মসূচী পারন করতে পারে না। এ ধরণের মানববন্ধন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিবিধান অনুযায়ী অবৈধ এবং করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী আজকের এই মানববন্ধন করার অনুমতিও হয়নি। সুষ্টু ও শান্তিপূর্ন বিশ্ববিদ্যালকে অশান্ত ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য এসব করা হচ্ছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশকঃ ট্রাস্ট মিডিয়া হাউস © 2020-2023