May 21, 2024, 1:39 pm
শিরোনাম
জাবিতে কুরআনের অনুবাদ পাঠ প্রতিযোগিতার পুরুষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে দেশটা: বিএনপি মহাসচিব ‘চ্যারিটি ফান্ড কেইউ’ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু পবিপ্রবিতে বিশ্বকবির ১৬৩ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন একজন আইনজীবীর প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করা : অ্যাটর্নি জেনারেল জাবিতে ছাত্রলীগ সম্পাদকের বান্ধবীকে নিয়োগ দিতে তোড়জোড় যুক্তিতর্ক দেখে সবাই ভাবতো ভালো প্রতিষ্ঠান থেকে এসেছি : শাহ মনজুরুল হক ইবিতে মুজিব মুর‍্যালে এ্যাটর্নি জেনারেলের শ্রদ্ধা নিবেদন  বাংলাদেশ পুলিশ পেশাদারিত্বের সাথে জনগণের নিরাপত্তা দিয়ে আসছে : আইজিপি ইবি অধ্যাপক ড. ইকবাল হোসাইনের আত্মার মাগফিরাতে দোয়া মাহফিল

বঙ্গবন্ধুর সাথে খন্দকার মোশতাকের বৈরিতা ছিলো আজীবনঃ ড.সৈয়দ আনোয়ার

যবিপ্রবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : Wednesday, December 15, 2021,
  • 0 বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্মের অজানা অধ্যায়ের মনোমুগ্ধকর গল্প শোনালেন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস-এর ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন।

বুধবার দুপুরে যবিপ্রবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একাডেমিক ভবনের গ্যালারিতে ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্ম’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেন অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন। বক্তব্যের শুরুতে তিনি বঙ্গবন্ধু সব সময় যে তিনটি শিক্ষামূলক গল্প বলতেন, সেটা তিনি ব্যাখ্যা করে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। ‘বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে খন্দকার মুশতাকের বৈরিতা ছিল আজীবন’ জানিয়ে অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন ১৯৪৯ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগের একটি ঘটনা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে সর্বসম্মতিক্রমে আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি করা হয়। তখন তাঁকে পছন্দমতো পদধারী ব্যক্তিদের নির্বাচিত করার ক্ষমতা অর্পণ করা হয়। মাওলানা ভাসানী প্রথমে বললেন- সাধারণ সম্পাদক হবেন শামসুল হক। যুগ্ম সম্পাদক মুজিবুর রহমান।তখন বাম দিকে বসা খন্দকার মুশতাক ভাসানীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছিলেন, ‘মুজিবুর তো জেলখানায়- আপনি আমারে দেখেন না? তখন ভাসানী বলেন- তোমারেও দেখি, মুজিবুররেও দেখি! মুজিবুররে দিয়া যে কাম হইবো, তোমারে দিয়ে সেই কাম হইবো না।’ এভাবে তিনি খন্দকার মুশতাক কিভাবে বঙ্গবন্ধুর বিরোধীতা করতেন তার গবেষণালব্ধ বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা তুলে ধরেন। বক্তব্যের শেষে তিনি ঐতিহাসিক ছয় দফার উৎপত্তি, কার্যকারণ ও প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন যশোরের জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খান। স্বাগত বক্তব্য দেন যবিপ্রবির রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব। আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও ড. সৈয়দ আনোর হোসেনের সহধর্মিনী ড. শওকত আরা হোসেন, যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ আব্দুল মজিদ, রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমান, অধ্যাপক ড. বিপ্লব কুমার বিশ্বাস, ডিনস্ কমিটির আহ্বায়ক ড. মো. মেহেদী হাসান, ডিন অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গালিব, অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল আমিন, ড. মো. তানভীর ইসলাম, ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আলম হোসেন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. মো. আমজাদ হোসেন, ড.ইঞ্জি., নবনির্বাচিত সভাপতি ড. সেলিনা আক্তার ও নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ড. মো. আশরাফুজ্জামান জাহিদ,কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. শওকত ইসলাম সবুজ, সাধারণ সম্পাদক মো. বদিউজ্জামান বাদল প্রমুখ। যবিপ্রবির ছাত্রলীগ নেতা আফিকুর রহমান অয়ন, বিপ্লব দে শান্ত, শিলা আক্তারসহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া আলোচনা সভায় যবিপ্রবির বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, দপ্তর প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক এস এম সামিউল আলম।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশকঃ ট্রাস্ট মিডিয়া হাউস © 2020-2023