May 20, 2024, 12:58 am
শিরোনাম
মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে দেশটা: বিএনপি মহাসচিব ‘চ্যারিটি ফান্ড কেইউ’ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু পবিপ্রবিতে বিশ্বকবির ১৬৩ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন একজন আইনজীবীর প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করা : অ্যাটর্নি জেনারেল জাবিতে ছাত্রলীগ সম্পাদকের বান্ধবীকে নিয়োগ দিতে তোড়জোড় যুক্তিতর্ক দেখে সবাই ভাবতো ভালো প্রতিষ্ঠান থেকে এসেছি : শাহ মনজুরুল হক ইবিতে মুজিব মুর‍্যালে এ্যাটর্নি জেনারেলের শ্রদ্ধা নিবেদন  বাংলাদেশ পুলিশ পেশাদারিত্বের সাথে জনগণের নিরাপত্তা দিয়ে আসছে : আইজিপি ইবি অধ্যাপক ড. ইকবাল হোসাইনের আত্মার মাগফিরাতে দোয়া মাহফিল কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসংসদের সভাপতি হলেন জাবির সাবেক শিক্ষার্থী 

বাঙলা কলেজে ‘ঙ’ ব্যবহারের নেপথ্যে

মোঃমাহফুজুর রহমান, বাঙলা কলেজ প্রতিনিধি।
  • প্রকাশের সময় : Saturday, October 2, 2021,
  • 1 বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ডক্টর মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ বলেছিলেন,বাঙলা কলেজ হবে”ঙ”বানান দিয়ে। “ঙ” যেমন স্বাধীন বর্ণ, কারো মুখাপেক্ষী নয়,তেমনি বাঙলা কলেজ চলবে স্বাধীনতা নিয়ে। “ং” এর মতো কারো মুখাপেক্ষী হয়ে নয়। বাংলা ভাষার সাথে বাংলা কলেজ ওতপ্রোতভাবে জড়িত কেননা ভাষা সৈনিকদের হাতেই গড়া বাঙলা কলেজ।

অধ্যক্ষ ড.ফেরদৌসী খান সাংবাদিকদের এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন,১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সর্বত্র বাংলা ভাষাকে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে ভাষা সৈনিকেরা বাঙলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।তৎকালীন সময়ে করাচিতে উর্দু কলেজ ছিলো কিন্তু বাংলা ভাষার জন্য আলাদা কোন কলেজ ছিলো না।যদি বাংলা ভাষার জন্য আলাদা কোন কলেজ নির্মাণ করা যায় তাহলে রাষ্ট্র ভাষা বাংলার দাবি আরও জোরালো হবে এই ধারণা থেকে বাঙলা কলেজ প্রতিষ্ঠা হয়।

প্রসঙ্গত, প্রিন্সিপাল আবুল কাসেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক থাকা অবস্থায় সর্বপ্রথম তিনি বাংলায় ক্লাস নেন এর পরিপেক্ষিতে তিনি ছয় মাসের জন্য সাসপেন্ড হন।এর প্রেক্ষিতে ১৯৬১ সালে প্রিন্সিপাল আবুল কাসেম কতিপয় শিক্ষাবিদ ও জ্ঞানীগুণীদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে বাঙলা কলেজ স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাকে শিক্ষার মাধ্যম ও অফিস আদালতের ভাষা হিসাবে চালু করার পরিকল্পনা গ্রহন করেন।এ উদ্দেশ্যে ডক্টর মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ, প্রিন্সিপাল ইব্রাহিম খাঁ,ড.ইন্নাস আলী সহ তমদ্দুন মজলিসের কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে একটি প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়।
উপরোক্ত কমিটির উদ্যোগে ১৯৬১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী ড.মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে ঢাকায় একটি বাংলা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন যার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে বাঙলা কলেজ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং ১৯৬২ সালের ১লা অক্টোবর তা বাস্তবায়ন হয়।পরবর্তীতে১৯৮৫ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারী কলেজটি সরকারিকরণ করা হয়।
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙলা কলেজকে দখল করে নেয়।তারা এখানে ক্যাম্প স্থাপন করে নির্বিচারে বাঙালিদের হত্যা ও সুন্দরী যুবতী, নারীদের ধরে নিয়ে এসে অমানবিক নির্যাতন চালাতেন। সেই সময়ে বাঙলা কলেজের সাইনবোর্ড সরিয়ে ‘উর্দু কলেজ’ সাইনবোর্ড লাগানো হয়।

অধ্যক্ষ ড.ফেরদৌসী খান বলেন আমি যেহেতু বাংলার ছাত্রী এবং ড.মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ বাংলার শিক্ষক ছিলেন অতএব বাঙলা কলেজকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আমার অন্য রকম অনুভূতি কাজ করবেই।
এর প্রেক্ষিতে তিনি আরও বলেন, ২৫একরের বাঙলা কলেজ, ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি বিজরিত, মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজরিত এ কলেজ একদিন বিশ্বিবদ্যালয় হতেই পারে আমি না হওয়ার কোন কারণ দেখছিনা বলে মন্তব্য করেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশকঃ ট্রাস্ট মিডিয়া হাউস © 2020-2023