July 24, 2024, 5:43 pm
শিরোনাম
পবিপ্রবির বয়কটকৃত ছাত্রলীগ নেতার ক্ষমাপ্রার্থনা হাবিয়া দোজখে পরিণত হয়েছে কুমিল্লা’র শিক্ষার্থী ও পুলিশের মধ্যকার সংঘর্ষ ছাত্রলীগকে জাবি ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ ঘোষনা করার দাবি শিক্ষকদের কুবি ক্যাম্পাসে গভীর রাতে কুমিল্লা মহানগর ছাত্রলীগের হামলার আশংকা আহত শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার ঘোষণা কুবির নৃবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যানের যশোরে অবরোধ, বেনাপোলের সাথে সারাদেশের যোগাযোগ বন্ধ কুমিল্লায় পুলিশের গুলিতে আহত ২ স্কুল শিক্ষার্থী জাবিতে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার ঘটনায় শিক্ষকদের তোপের মুখে উপাচার্য ছাত্রলীগের দেয়া তালা ভেঙে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর আন্দোলনকারীদের দখলে রাবি, ক্যাম্পাস ছাড়া ছাত্রলীগ

করোনার টিকা নিয়ে প্রশ্নোত্তর

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : Sunday, March 21, 2021,
  • 18 বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

১. করোনার টিকা নেওয়া কি নিরাপদ? এ প্রশ্ন এখনো অনেক মানুষের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। টিকা দেওয়া শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে। শুধু আমাদের দেশেই নয়, ইউরোপ-যুক্তরাষ্ট্রেও মানুষের মধ্যে টিকা নিতে ইতস্তত ভাব দেখা দিয়েছে। সিবিএসের এক নতুন জরিপে দেখা যায়, রিপাবলিকানদের এক-তৃতীয়াংশ টিকা নিতে চায় না, আরও ২০ শতাংশ টিকা নেবে কি না, নিশ্চিতভাবে বলতে পারেনি। ডেমোক্র্যাটদের ১০ শতাংশ টিকায় অনীহা দেখিয়েছে। আগের জরিপেও প্রায় এ রকমই মতামত এসেছিল। অথচ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ক্ষমতাসীন থাকার শেষ দিকে চুপেচাপে টিকা নিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি বিষয়টিকে উৎসাহিত করেননি। ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা নিষিদ্ধ করেছিল। সে তুলনায় আমাদের দেশে বরং প্রশ্ন কম। একেবারে যে নেই, তা নয়। কিন্তু উৎসাহের অভাব রয়েছে। যদিও বিশ্বের সেরা ভাইরোলজিস্ট ও বিজ্ঞানীরা বলছেন, টিকা নেওয়ার কারণে বিচ্ছিন্ন কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও সেটা তেমন কিছু না। করোনার টিকা নিরাপদ বলে তাঁরা নিশ্চিত করেছেন।

২. অক্সফোর্ড–অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কতটা নিরাপদ? এ প্রশ্নও মানুষকে বেশ আলোড়িত করছে। ইউরোপের জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি প্রভৃতি দেশ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকাদান স্থগিত রেখেছিল। কিন্তু ইউরোপিয়ান মেডিকেল এজেন্সি ১৮ মার্চ জানিয়েছে, অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা নিরাপদ ও কার্যকর। এ ঘোষণার পর ডজনখানেক দেশ তাদের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করতে পারে। এ টিকাই এখন আমরা দেশে নিচ্ছি। তাই আমাদের কারও মনেও এখন আর প্রশ্ন থাকার কারণ নেই

৩. কিন্তু এই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকায় নাকি রক্ত জমাট বাঁধে? এ প্রশ্ন বেশ আলোচিত। এ বিষয়ে দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকার অনলাইনে সম্প্রতি একটি লেখায় পরিষ্কার উল্লেখ করা হয়েছে, অক্সফোর্ডের টিকায় রক্ত জমাট বাঁধার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে একমত।

৪. টিকা নিলে নাকি করোনা হয়? এ রকম প্রশ্নও অনেকে করেন। আসলে এর কোনো ভিত্তি নেই। টিকায় নিষ্ক্রিয় ভাইরাস ব্যবহার করা হয়। এটা দেহে ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটাতে পারে না। এটা শুধু শরীরকে ভাইরাসের অবয়বটা চিনিয়ে দেয় যেন সক্রিয় ভাইরাস দেহে প্রবেশ করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তাকে সঙ্গে সঙ্গে চিনতে পারে এবং আক্রমণ করে ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।

৫. টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হওয়াটা নাকি ভালো লক্ষণ? হ্যাঁ, এ রকম একটি কথা অনেকে বলেন এবং বিশ্বাস করেন। টিকা গ্রহণের পর দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উজ্জীবিত হয়। এর ফলে সামান্য জ্বর, মাথাব্যথা, পেটব্যথা বা অন্য কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তার মানে বোঝা গেল ওষুধে ধরেছে। এটা ঠিকই আছে। কিন্তু সবার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এক রকম হয় না। কারও হয়তো তেমন কিছু প্রতিক্রিয়া নাও দেখা দিতে পারে, শুধু হাতে সুঁই ফোটানোর ব্যথা ছাড়া অন্য কিছু হয়তো তিনি অনুভব নাও করতে পারেন। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে টিকা বিফলে গেল। টিকা নিলে কাজ হবেই।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© প্রকাশকঃ ট্রাস্ট মিডিয়া হাউস © 2020-2023